মাঠকর্মী যে সকল নিয়ম-নীতির মাধ্যমে তার কার্য সম্পাদন করে তাকে মাঠকর্ম নীতি বলা হয়।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম হচ্ছে সমাজকর্মের তত্ত্ব ও পদ্ধতির পেশাগত অনুশীলন। এ শাখায় মনো-সামাজিক সামঞ্জস্যহীনতা, অক্ষমতা বা আংশিক অক্ষমতা অথবা আবেগীয় ও মানসিক সামঞ্জস্যহীনতার প্রতিকার ও প্রতিরোধে কাজ করে।
সাধারণত শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যা, যেমন- প্রিয়জনের মৃত্যু, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, দাম্পত্যকলহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, চাকরি হারানো ইত্যাদির ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসে। এক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম সাহায্যার্থীকে সাইকোথেরাপি এবং পরামর্শ সেবার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে থাকে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত তালবাড়িয়া গ্রামের মানুষ মৌলিক মানবিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত।
একজন মানুষের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ এবং সভ্য সমাজে বেঁচে থাকার জন্য যে সব চাহিদা পূরণ করতে হয় সেগুলোই মৌলিক মানবিক চাহিদা। এ চাহিদাগুলো পূরণ না করলে পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা। প্রতিটি মানুষের এ চাহিদাগুলো পূরণ করা আবশ্যক। যদি কেউ এগুলোর বেশিরভাগ পূরণ করতে না পারে তাহলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
উদ্দীপকে তালবাড়িয়া গ্রামের মানুষ তিনবেলা ঠিকমতো খেতে পারে না। তাদের ছেলেমেয়েরা শিক্ষার সুযোগ পায় না। এমনকি অসুস্থ হলেও তারা চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। অথচ খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা মানুষের মৌলিক মানবিক অধিকার। আর তালবাড়িয়া গ্রামের মানুষ এ সকল মৌলিক মানবিক অধিকার ভোগ করতে পারছে না। তাই বলা যায়, তালবাড়িয়া গ্রামের মানুষরা মৌলিক মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।
উদ্দীপকে সরকারের গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচি মূলত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সম্পদ ও সরকারের সহায়তার মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে কাজ করে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণকে সংগঠিত করে তোলে। গ্রামের দরিদ্র ও ভূমিহীন কৃষক, বেকার, দরিদ্র মহিলাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের উপার্জনক্ষম করে তোলা এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।
গ্রামীণ অর্থনীতির কাঠামো সুদৃঢ় করার জন্য কুটির শিল্পের প্রসারে সহায়তা করা এবং গ্রামের সক্ষম দম্পতিদের পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করাও গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। এর বাইরে নিরক্ষরতা ও অজ্ঞতা দূরীকরণে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা করা, স্বাস্থ্য ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে পরামর্শ ও সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচি পরিচলিত হয়। গ্রামীণ জনগণের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যেও এ কর্মসূচি কাজ করে থাকে। গ্রামের জনগণের মধ্যে পুষ্টিজ্ঞান, খাবার স্যালাইন তৈরি, বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার, শিশু যত্ন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দান, শিশু, যুবক, মহিলা, প্রতিবন্ধী প্রভৃতির জন্য বাস্তবমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করে। শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং অক্ষমদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক ও পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণ করে। একইসাথে বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কার্যক্রম গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, গ্রামাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গ্রামীণ সমাজসেবা কর্মসূচি কাজ করে থাকে।
পরিবার গঠনে বিবাহের গুরুত্ব অপরিসীম।
বিবাহ হচ্ছে এমন একটি কার্যপ্রণালি যার মাধ্যমে পরিবার গড়ে ওঠে। মূলত বিবাহ হচ্ছে পরিবার গঠনের উপায়। কেননা একজন নারী এবং একজন পুরুষের মাঝে পারিবারিক জীবনের সূচনা ঘটিয়ে দেয় বিবাহ। বিবাহ ছাড়া পরিবার গঠন অসম্ভব।
উদ্দীপকে উল্লেখিত গার্মেন্টস শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপনে শিল্প সমাজকর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট বিধি-বিধান রয়েছে। বিশেষ করে শ্রম আইনে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বের সমাধানে শ্রম আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে শিল্প সমাজকর্ম ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রয়োজন হলে সরাসরি হস্তক্ষেপও এক্ষেত্রে লক্ষণীয়। উদ্দীপকেও শিল্প সমাজকর্মের এরূপ ভূমিকা ফলপ্রসূ হবে।
উদ্দীপক থেকে জানা যায়, আছিয়া বেগমদের গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানটিতে মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। এখন শিল্প সমাজকর্মীরা এই দ্বন্দ্ব সৃষ্টির পেছনে বিদ্যমান কারণসমূহ নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। দ্বন্দ্বের কারণ চিহ্নিত করার পর তারা বিদ্যমান শ্রম আইনের আলোকে বিশ্লেষণ করে এর সমাধান নির্ধারণ করবেন। পরবর্তী ধাপে তারা মালিক ও শ্রমিক পক্ষের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টির কাজ করবেন। তাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার প্রকৃতি ও কারণ তুলে ধরে সমাধানের পথ নির্দেশ করে দেবেন। এক্ষেত্রে মূলত শিল্প সমাজকর্মীরা দল সমাজকর্মের পদ্ধতির আলোকে সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন। তারা গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানটিতে বিদ্যমান দল বা সমষ্টিকে অর্থাৎ মালিক-শ্রমিক পক্ষকে পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবেন। এভাবে তারা আলোচ্য সমস্যার একটি যৌক্তিকা সমাধান দিতে সমর্থ হবেন।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানে শিল্প সমাজকর্ম অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!